মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C
পাতা

দুর্নীতি বিরোধী উপজেলা প্রশাসন প্রতিষ্ঠা

১। সেবার নামঃসহজলভ্য সন্তোষজনক সেবা পরিবেশন ।

সেবার সমস্যা

সমস্যার কারণ

সমস্যার কারণে সেবা গ্রহীতা বা জনগণের ভোগান্তি

(ক) অধিকাংশসেবা গ্রহীতাগণ সচেতন নন।

(খ) কোন কোন সেবা গ্রহীতা অধিকারের বাইরে সুযোগ গ্রহণ করতে চান।

(গ) কোন কোন সেবা গ্রহীতা সেবা গ্রহণের বিনিময়ে অবৈধ লেনদেনের প্রচেষ্টা করেন।

(ঘ) কোন্ সেবা কোথায় কখন কত মূল্যে কিভাবে পাওয়া যাবে তা অনেক সেবা গ্রহীতা জানেন না।

(ঙ) দালাল চক্রের দৌরাত্ব বিদ্যমান।

(চ) সেবা প্রাপ্যতা সর্ম্পকে অবহিত নন। 

(ছ) তথ্য অধিকার আইন ২০০৯ অবহিত নন।

(জ) কিছু কিছু কর্মকর্তা/কর্মচারীর স্বচ্ছতা ও জবাব দিহিতার অভাব

(ঝ) কিছু কিছু কর্মকর্তা-কর্মচারীর দূব্যর্বহার বা অসৌজন্য মূলক আচরণ।

ক। সেবা সম্পর্কে তথ্য ও প্রচারনার অভাব

খ। কোন কোন সেবা গ্রহীতার অনধিকার চর্চা করেন।

খ) কোন কোন সেবা গ্রহীতার অধিক লোভ

গ) রাজনৈতিক প্রভাব বিস্তার করতে চান।

গ। কোন কোন কর্মকর্তা কর্মচারীর অর্থের  প্রতি লোভ আছে।

ঘ। সেবা সম্পর্কে অভাব।

ঙ। অনস্টাপ সার্ভিস ও হেল্প ডেক্স নাই।

চ। সেবা সংক্রান্ত  এবং তথ্য অধিকার আইন/২০০৯ যথাযথ প্রচার নাই।

ছ। মোটিভেশন ও নৈতিক শিক্ষার অভাব।

(ক) অতিরিক্ত সময় অপচয় হয়।

(খ) সেবা গ্রহীতা নিজের অধিকার বঞ্চিত হয় ।

(গ) সেবা গ্রহীতাকে অতিরিক্ত অর্থ দিতে হয়।

 (ঘ) দালাল চক্রের খপ্পরে পরতে হয়।

(ঙ) সেবা গ্রহীতা সেবা না পেয়ে ফিরে যান।

(চ) সেবা গ্রহীতাকে বার বার অফিসে আসতে হয়।

 (ছ) দুর্ব্যবহারের স্বীকারে মানষিক কষ্ট পান ।

(জ) সেবা গ্রহীতার উন্নয়ন তরান্বিত হয় না।

 

 

 

সমস্যা সম্পর্কিত বিবৃতিঃ

 

দুর্নীতি এখন সরকারি দপ্তর, বেসরকারি দপ্তর, এনজিওসহ সমাজের প্রায় প্রতিটি সত্মরে শিকড় গেড়ে বসেছে। অবৈধ অর্থই আজ সম্মান ও শক্তির প্রধান উৎসে পরিনত হয়েছে। সেবা গ্রহিতাগণ তাদের কাঙ্খিত সেবা প্রাপ্তির অধিকার থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।দুর্নীতির বিরাজমান থাকায় জনগণ এবং সরকারী বেসরকারী কর্মকর্তা কর্মচারীদের মাঝে দুরত্ব সৃষ্টি হচ্ছে। সেবা গ্রহণ ও প্রদান যথাযথ হচ্ছে না। পক্ষান্তরে সরকারের উন্নয়ন প্রকল্পের ক্ষেত্রে উইন-উইন গেম প্রায় সবত্র জেকে বসেছে। ফলে প্রকৃত উন্নয়ন ব্যহত হচ্ছে । কিছু কিছু দুর্নীতিগ্রস্থ লোক ও দুর্নীতিগ্রস্থ কর্মকর্তা কর্মচারীদের দ্বারা দালাল চক্রের দৌরাত্ব বৃদ্ধি পাচ্ছে।  ফলে সেবা প্রত্যাশিগণ সন্তোষজনক সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।

 

৩। ইনোভেশন-

সরকারি অফিসসমূহের সম্মিলিত দুর্নীতি বিরোধী অবস্থান।

 

৪। নতুন প্রাকটিস কি (যা বিদ্যমান আইন, সার্কুলার বা অন্য কোন নির্দেশনা ইতোমধ্যে প্রতিপালন করার জন্য বলা হয় নি)?:-

 

উপজেলার ১২ টি অফিসের সমন্বয়ে দুর্নীতি বিরোধী অবস্থান গ্রহণ।

৫। নতুন প্রকল্পটি চালু করার জন্য গৃহীত পদক্ষপ সমূহঃ-

 

1)     দুর্নীতি ও সেবা সম্পর্কে জনগণের ধারণা সূচক বিষয়ে জনমত জরিপ (প্রাথমিক)।

2)     তথ্য অধিকার আইন, ২০০৯ এর ব্যাপক প্রচার।

3)     সেবা সম্পর্কে বিভিন্ন গ্রোথ সেন্টারে প্র্রামান্য চিত্র পোস্টার , লিফলেট ও মাইকিং।

4)     গণশুনানির ব্যবস্থা গ্রহণ ।

5)    সমন্বিত সিটিজেন চার্টার স্থাপন।

6)     সমন্বিত হেল্প ডেক্স স্থাপন।

7)    সমন্বিত অনস্টপ সার্ভিস সেন্টার চালু।

8)    সোশ্যাল অডিট।

9)      অভিযোগ বাক্স স্থাপন।

10)                         বিভিন্ন পেশাজীবীর (সাংবাদিক, এনজিও, ব্যবসায়ী, আইনজীবিসহ বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষ) সাথে মত বিনিময়

11) জনসাধারণকে তথ্য গ্রহণে উদ্বুদ্ধ করা।

12) ১২টি অফিসের সামনে তথ্য প্রদানকারী কর্মকর্তার নাম ফলক স্থাপন।

13)                         দুর্নীতি ও সেবা সম্পর্কে জনগণের ধারণা সূচক বিষয়ে জনমত জরিপ (নিবিড়)।

14) কর্মকর্তা কর্মচারীদের প্রশিক্ষণ ।

15)                         নৈতিক শিক্ষা, বিনোদন, সনদ পত্র প্রদানের মাধ্যমে মোটিভেশন।

৬। প্রচলিত সেবা প্রদান পদ্ধতি কি  ছিলঃ-

1.   অধিকাংশ ক্ষেত্রে দালালের মাধ্যমে সেবা গ্রহণে সেবা গ্রহীতারা অভ্যস্থ হয়েছিল।

2.  অধিকাংশ ক্ষেত্রে অর্থের বিনিময়ে সেবা প্রদান ও গ্রহণ রেওয়াজে পরিণত হয়েছিল।

3.  অধিকাংশ ক্ষেত্রে সেবা সংক্রান্ত তথ্য না জানার কারণে সেবা গ্রহিতাগণ সেবা থেকে বঞ্চিত হতো।

4.  অধিকাংশ ক্ষেত্রে সেবা গ্রহিতাগণ সেবা প্রদানকারী অফিস ও সেবা প্রদানকারীকে খুজে পেত না।

5.  অধিকাংশ ক্ষেত্রে সেবা গ্রহিতাদের মধ্যে জড়তা ও ভীতি কাজ করত।

6.  সম্মিলিত প্রতিশ্রম্নতিবদ্ধ সেবা প্রদানের পরির্বতে অফিস ভিত্তিক একক ভাবে সেবা পরিবেশিত হতো।

7.  সেবা প্রদান প্রক্রীয়া ছিল ধীরগতি সম্পন্ন।

8.  তথ্য প্রদানকারী কর্মকর্তার কক্ষ চিহিৃত করা ছিল না।

9.     সেবা প্রদানকারী সংস্থার প্রতি সেবা গ্রহিতাদের নেতিবাচক ধারণা ছিল।

10.সেবা গ্রহণকারীর সন্তুষ্টি পরিমাপ করা হতো না।

11.  সকল অফিসে গণশুনানি হতো না।

৭। ইনোভেশনটির শিরোনাম কি?-

দূর্নীতি বিরোধী উপজেলা প্রশাসন প্রতিষ্ঠা।

 

৮। উদ্যোগটি চালু হওয়ার ফলে প্রাপ্ত সুবিধাঃ-

1)     সম্মিলিত হেল্পডেক্স হতে মানুষ সেবা সম্পর্কে তথ্য জানতে পারে।

2)     আবেদন, অভিযোগ, ইত্যাদি হেল্পডেক্সের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট দপ্তরে পাঠানোহচ্ছে।

3)     অফিস প্রধানদের মুভমেন্ট রেজিষ্টার থাকায় সেবা গ্রহীতা গণ অফিস প্রধানদের অবস্থান জনতে পারে।

4)      দালাল চক্রেরকবল হতে সেবা গ্রহীতাগণ মুক্তিপেয়েছে।

5)     নির্ধারিত মূল্যে সেবা গ্রহিতাগণ সেবা গ্রহণের সুযোগ পাচ্ছে।

6)      জনসাধারণএবং কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে ধারণার পরিবর্তনের মাধ্যমে জনগণের সেবা গ্রহণে স্বাচ্ছন্দ ফিরে এসেছে।

7)     কর্মকর্তাএবং সাধারণ মানুষের মধ্যে নতুন করে বিশ্বাস স্থাপন হয়।

8)     সেবা গ্রহণের মাত্রা বৃদ্ধি পাওয়ার ফলে ব্যক্তি ও সমাজের উন্নয়ন তরান্বিত হচ্ছে।

9)      জনগণ কাঙ্খিত সেবা পাচ্ছে।

10)সচ্ছতা ও জবাব দিহিতা নিশ্চিতহয়েছে।

11) সেবা গ্রহিতা এবং সেবা প্রদানকরী সংস্থাসমূহ একটি নিয়মের ফ্রেমে আবদ্ধ হয়েছে।

12) সরকারি অফিস থেকে দূর্নীতি বিদায়হয়েছে।

13)দূর্নীতি বিরোধী একটি সামাজিক আন্দোলন গড়ে উঠেছে।

14) সুষম সেবা প্রদান ও গ্রহণ নিশ্চিত হয়েছে।

সংযুক্তি